চকোরিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে ৩জন নিহতের হওয়ার ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জাফরের পরিবারের ।


চকোরিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে ৩জন নিহতের হওয়ার ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জাফরের পরিবারের ।

দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ- 

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলীর গর্জন বাগানের জঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধে ৩ জন ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছেন পুলিশ দাবি করলেও পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের মোহাম্মদ আবদুল আজিজ এর পুএ মোহাম্মদ জাফর নিহত হওয়ার ঘটনায় তার এলাকার লোকজন ও পরিবার ভিন্ন মত পোষণ করেছে। কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আনোয়ার হোসেন জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে জাফর বিদেশ থেকে দেশে এসেছে। 

বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে জাফর আর বিদেশে যেতে পারেননি। আমার জানামতে জাফর একজন ভালো ছেলে কোথাও ভুল হয়েছে মনে হচ্ছে আমার ধারণা। জাফর কে তার বাড়ি থেকে সাদা পুলিশ ধরে নিয়ে যায় শুক্রবার জানতে পারেন চকোরিয়ায় পুলিশের সাথে বন্ধুকযুদ্ধে জাফর নিহত হয়েছে এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার সাথে এলাকার কিছু মানুষের জায়গা ক্ষয় করা নিয়ে বিরোধ নতুবা অন্য কিছু হতে পারে। এলাকার সর্ব শ্রেণীর লোকজনের সাথে আলাপ করে জানাগেছে। তাছাড়াও জাফর এর মা দাবি করেন তার ছেলে সম্পুর্ন নির্দোষ এ ঘটনায় আমরা এমনভাবে দুঃখ পেয়েছি কার কাছে বলব বিষয়টি। গত বুধবার রাতে আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর আমার ঘরটি ডাকাতি হয়। সম্পুর্ন ঘটনাটি সাজানো নাটক বলে দাবি করেন তিনি। 

সুএে জানাযায় ১৯৯৭ সালের দিকে জাফর টেম্পো শ্রমিক ছিল দীর্ঘদিন যাবত জীবনে অনেক কষ্ট করেছে। এর পর জাফর বিদেশে চলে যায়। কটোর পরিশ্রমি ছিলেন জাফর। কিন্তু কি কারণে কোন অপরাধে আজ জাফর না ফেরার দেশে।জাফরের মা বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। জাফরের পরিবার চরম নিরাপত্তারহীনতার রয়েছে বলে জানান। সুএে জানাযায়, কক্সবাজার জেলা ও চকোরিয়ার কয়েকজন সংবাদ কর্মীদের সাথে আলাপ করে জানাগেছে পুলিশ এখন পুরস্কার লাভের আশায় মুল ইয়াবা ব্যাবসায়িকে বাধ দিয়ে কৌশলগত কথিত বন্ধুকযুদ্ধের নামে নিরীহ মানুষেরও প্রাণ হারাচ্ছে? সুএে জানাযায়, চকোরিয়া থানার পুলিশের দাবি ঐদিন ঘটনায় তাদের ওসিসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলীর বানিয়ারছড়ার পাহাড়ি ঢালার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পশ্চিম পাশে গর্জন বাগানের জঙ্গলে এ ঘটনাটি ঘটেছে দাবি করা হয়। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে বন্দুকযুদ্ধ শেষে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনের গুলিবিদ্ধ লাশ, ৪৪ হাজার পিস ইয়াবা, ১টি বন্দুক, ১টি এলজি ও ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে সংবাদ কর্মীদের জানান। এ ঘটনায় চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিবুর রহমান, হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আমিনুল ইসলাম, পুলিশ কনস্টেবল সাজ্জাদ ও সবুজ আহত হয় বলে দাবি। তাদেরকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

নিহত ৩ জনের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। চকরিয়ার হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আমিনুল ইসলাম জানান, নিহতরা সবাই ইয়াবা কারবারি ছিলেন?তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে পুলিশ বানিয়ারছড়া এলাকা থেকে ইয়াবাসহ ১ জন পুরুষ ও ১ জন নারীকে আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারেন, বরইতলীর গর্জন বাগানের জঙ্গলে ইয়াবার একটি বড় চালান ভাগাভাগি হচ্ছে। এ খবর নিশ্চিত হওয়ার পরপরই রাত আড়াইটার দিকে চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বরইতলীর বানিয়ারছড়ার উত্তর পাশের পাহাড়ি ঢালায় গর্জন বাগান এলাকায় পৌঁছন। উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইয়াবা কারবারিরা গুলি ছোড়ে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। 

পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৩ জন গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে। তবে তাদের কোনো পরিচয় পাওয়া পুলিশ জানাতে না পারলেও তার মধ্যে ষড়যন্ত্রের স্বীকার পটিয়ার কচুয়াই ইউনিয়ন ভাইয়ার দীঘির এলাকার মোহাম্মদ আবদুল আজিজ এর পুএ মোহাম্মদ জাফর (প্রবাসী) রয়েছে বলে দাবি কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আনোয়ার হোসেন। তিনি বিচারের বাণী নিরব নিবৃতে কাঁধে জাফর একজন ভালো ছেলে প্রবাসী লোক বুধবার রাতে পটিয়া থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিত হত্যা করা হয়েছে বলে তার ধারণা?

Post a Comment

0 Comments