সেলিম চৌধুরী,
স্টাফ রিপোর্টারঃ-
পটিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সুচক্রীদন্ডী পল্লী মঙ্গল এবং শিব মন্দির কমিটির সভাপতি, পটিয়া পৌর সদরের শাহ্ আমির ও আর এন মার্কেট দ্বিতল ব্যাবসায়ি সমিতির সভাপতি, দক্ষিণ চট্টগ্রামে বৃহৎ পটিয়ার সুচক্রীদন্ডী রাস উদযাপন পরিষদের সভাপতি পুজো পরিষদ নেতা সমাজ সেবক গরীব অসহায় গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের পরম বন্ধু সনজীব কুমার দাশ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে পটিয়া পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড এলাকায়বাসীসহ সর্বস্তরের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ত্যাগের মহিমা নিয়ে আবারো এলো পবিত্র ঈদ উল আযহা।
নবীজী হজরত ইবরাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাইলের (আ.) অতুলনীয় আনুগত্য এবং মহান ত্যাগের পুণ্যময় স্মৃতিবহ ঈদ উল আযহার দিনে আমরা মুমিনেরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রতি বছর পশু কোরবানি দিয়ে থাকি। পটিয়া হচ্ছে সম্পসায় সম্প্রতির চারণভূমি। এখানে সব ধর্মের লোক নিজ নিজ অবস্থানে ধর্মীয় উৎসব পালন করে। আল্লাহর প্রতি পরম আনুগত্য ও ভালোবাসাকে হজ্বের অংশ হিসেবে গণ্য করা ত্যাগের শিক্ষায় আল্লাহর মুমিন হিসেবে আমাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকা উচিৎ।
তাই মহান আল্লাহত আয়ালার সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানীর মধ্য দিয়ে বিশ্ব মুসলিম উম্মা এক পবিত্র আনন্দানুভুতির আনন্দে মেতে উঠবে ঈদ উল আযহার পবিত্র দিবসে। মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে পশুকে কোরবানী দেয়ার সাথে সাথে মনের পশুত্বকেও বলি দিতে হবে আমাদের। আমরা অনেক অকুশল চিন্তা ও ধারনাকে তিলে তিলে মনে ধারন করে ফেলি নিজেদের অজান্তেই। সমস্ত অকুশল পুঞ্জীভূত হয়ে পশুত্ব জেগে ওঠে মনে। মনের পাশবিকতা অনেক সময় আমাদের দৈহিক আচরনেও পরিষ্ফুট হয়ে ওঠে। এর সবকিছুর মূলে অন্যতম প্রধান নিয়ামক হয়ে থাকে স্বার্থপরতা, অহংবোধ। অহংবোধ ও স্বার্থপরতাসহ সকল প্রকার লোভ, হিংসা, বিদ্বেষপূর্ণ খারাপ দিক গুলোকে বিসর্জন দিয়ে পবিত্র মনে আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করতে পারলে আমরা নিশ্চয়ই তাঁর নৈকট্য লাভে সক্ষম হব।
আমরা যারা পশু কোরবানী দেব, আমাদেরকে প্রিয় আবাসভূমির পরিবেশের কথা বিবেচনায় রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ পটিয়ার এমপি আলহাজ্ব শামসুল হক চৌধুরী পটিয়াকে একটি সৌন্দর্য, পরিচ্ছন্নতা ও নির্মল পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের। পশু জবাইয়ের পর এর রক্ত ও অন্যান্য বর্জ্য পড়ে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যত্রতত্র পশু জবাই না করে নির্দিষ্ট স্থানে করাই বাঞ্চনীয়। না হয় আমাদের পরিবেশকে দুর্গন্ধময় ও দুষিত করে তোলার ক্ষেত্রে আমরাই আমাদের শত্রু হয়ে দাঁড়াব। কোরবানীর পশুর চামড়া নিয়ে যাতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব না হয় তজন্য প্রশাসন সহ এলাকাবাসীরও একটি দায়িত্ব থেকে যায়।
এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়ম রক্ষায় সকলকে সচেতন থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে করোনার সংক্রমনে সমগ্র বিশ্ব এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি অতিক্রম করছে। প্রিয় মাতৃভূমি করোনার কুপ্রভাব রয়েছে। সামাজিক দুরত্ব ও পারস্পরিক সংস্পর্শ এড়িয়ে আমাদেরকে দৈনন্দিন কর্মকান্ড পরিচালনা করতে হবে। প্রয়োজনীয় সমস্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনেই করোনার সাথে লড়াইয়ের পাশপাশি আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। বিগত ঈদ উল ফিতরে আমরা যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পারস্পরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আমাদের সচেতনতা ও সক্ষমতা দেখিয়েছি। ঈদ উল আযহা তদ্রুপ সচেতনতা রক্ষা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

0 Comments