সেলিম চৌধুরী,
স্টাফ রিপোর্টারঃ
চট্টগ্রামের পটিয়া সহ বিভিন্ন উপজেলায় এমনকি নগর বন্দর ঢাকায় বাজারে সংকট দেখা দিয়েছে সাধারণ জ্বর-সর্দি-কাশির নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের। যে কারণে এসব রোগে আক্রান্তদের ভোগান্তি বাড়ছে প্রতিদিন। ফার্মেসির মালিকরা বলছে, সরবরাহ না থাকায় বিক্রি করতে পারছেন না তারা। ওষুধ শিল্প সমিতি বলছে, কোভিডের প্রাথমিক চিকিৎসায় এসব ওষুধের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় চাহিদামতো সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজীয় সাধারণ ওষুধের সংকট যুক্তিহীন, অধিক মুনাফার লোভে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। শত সংকটেও জ্বর, সর্দি, কাশি কিংবা গলা ব্যথার মতো সাধারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা জনগণের হাতের নাগালেই থাকে। কিন্তু হঠাৎ করে এসব রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত নাপা, ফেঙ্াে, এইস, কেভিক কিংবা রেঙ্রে মতো ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। দোকানের পর দোকান ঘুরে কাঙ্ক্ষিত ওষুধ না পেয়ে দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ।ফার্মেসি মালিকরা বলছেন, করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে চাহিদার তুলনায় সরবরাহের ঘাটতি থাকায় বেড়েছে সংকট। ওষুধ শিল্প সমিতির দাবি স্বাভাবিক আছে সরবরাহ।
বরং মানুষ আতঙ্কিত হয়ে নিত্যপণ্যের মতো এসব ওষুধও মজুদ করছেন, ফলে বেড়েছে সংকট। আর কোভিড চিকিৎসকরা বলছেন, সাধারণ রোগের নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট যুক্তিহীন। অধিক মুনাফার লোভে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে আরোও কার্যকর ভূমিকা পালনের তাগিদ সাধারণ সচেতন মানুষের। এছাড়াও নাফা জাতীয় ওষুধ পেতে সাধারণ মানুষ হিমসিম খাচ্ছে বলে পটিয়া আনোয়ার রোড় এলাকায় একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন।
ওষুধ বিক্রিতা কোম্পানি সিন্ডিকেট করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে রোগীর কাছ থেকে বেশি টাকা আদায়ের কৌশল নিয়েছে বলে সুএে জানাযায়। তাছাড়াও সেভলন তিন গুন বেশি নিচ্ছেন এমন অভিযোগ চট্টগ্রামের পটিয়ায় অহরহ। এসব বিষয়ে জোরদার অভিযান চালানোর দরকার মনে করেন সাধারণ মানুষ।

0 Comments