চন্দনাইশে দুই এস আই সহযোগিতা নিরীহ জায়গা দখলের পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার দুই এসআই ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির জায়গা পুলিশের সহযোগিতায় এক নিরীহ লোকের জায়গা    দখল করার অভিযোগ এনে  চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ করেছেন।            

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় চন্দনাইশ থানার এসআই মো. আফছার ভুইয়া ও এসআই মাজহার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিবলী ও তার ভাই মাইনুল ইসলাম পুতুল(৩৫), দোহাজারীর মোহাম্মদ ফারুক(৪৮) ও আবুল কাশেম(৫৫), মোয়াজ্জেম হোসেন প্রকাশ লক্কু(৩২), নাজিম উদ্দীন প্রকাশ লেঙ্গা নাজিম(৪০), আবুল কাশেম প্রকাশ গাজা কাশেম(৫৫), মোহাম্মদ আলমগীর(৪৫), সাকিল প্রকাশ ডাকাত সাকিল(৩০), আব্বাস উদ্দীন প্রকাশ বাবা টিয়া সুপন(৩০), হারুন উদ্দীন প্রকাশ চোর হারুন(২৮), জয়নাল(২৮)সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের নিকট উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের পুত্র জসিম উদ্দীন(৫০) অভিযোগ করেন। 

গত ১ জুলাই জসিম উদ্দীনের জায়গা অভিযুক্তরা জোর পূবর্ক দখলে নেয়ার চেষ্টা করলে গত ২ জুলাই চন্দনাইশ থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন জসিম উদ্দীন। গত ৪ জুলাই চন্দনাইশ থানার এসআই আফছার ভুইয়া ও মাজহারের সহযোগিতায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিবলীসহ অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে জোর পূর্বক আদালতে বিচারাধিন জায়গায় বাউন্ডারী দিয়ে দখলে নেয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চন্দনাইশ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগকারী জসিম উদ্দীন বলেন, অভিযুক্তরা  ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় আমার জায়গা দখলে নিয়েছে অথচ আমি এর আগে থানায় অভিযোগ করে পুলিশের সহযোগিতা চাইলেও পুলিশ আমাকে সহযোগিতা করেনি। 

পুলিশ আসামিদের হয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জায়গা দখল করতে সহযোগিতা করেছে। এ বিষয়ে চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ কেশব চক্রবর্ত্তী বলেন, জসিম উদ্দীন নামের কোন ব্যক্তির জায়গা দখলের বিষয়য়ে থানায় আসছিল কিনা আমি জানি না। তবে পুলিশের সহযোগিতায় জায়গা দখলের ঘটনা ঘটেছে নাকি পুলিশকে ব্যবহার করতে না পেরে অভিযোগ করেছে সেটা তদন্ত না করে জানা যাবে না বলে, এ সংক্রান্ত কোন কাগজ পত্র এখনো থানায় আসেনি বলেও তিনি জানান।