নিজস্ব প্রতিবেদক :
চকরিয়ায় এক বৃদ্ধকে অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, তবে ঘটনাটি গেলো ২৪ এপ্রিল কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছয়কুড়িটিক্কা পাড়ায় ঘটেছে।
এরপর ঘটনায় রবিবার ৩১ই মে বৃদ্ধ নুরুল আলমের ছেলে আশরাফ হোসাইন বাদি হয়ে চকরিয়া থানা একটি এজাহার দায়ের করেন। তবে এজাহারটি এখনো তদন্তধীন বলে জানা গেছে।
আজ ২ই জুন মঙ্গলবার অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ার সাথে সাথেই ভাইরাল হয়৷ ভিডিওতে দেখা যায় স্থানীয় সন্ত্রাসী আনছুর আলমের নেতৃত্বে একদল যুবক বৃদ্ধ নুরুল আলমকে অমানবিক নির্যাতনসহ অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে মারধর করতে থাকে।
নুরুল আলমের ছেলে আশরাফুল আলমের দাবি গত ২৪ এপ্রিল আমার বয়োবৃদ্ধ বাবা নুরুল আলম ঈদের বাজার করে ঢেমুশিয়া স্টেশন থেকে টমটম গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আনছুর আলমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী টমটম থেকে আমার বাবাকে নামিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে পড়নে থাকা লুঙ্গি, গেঞ্জি ছিড়ে পেলে। পাশাপাশি মারধর ও অসভ্য গালিগালাজও করে। কয়েকজন যুবক এসব ঘটনার চিত্র মোবাইলের ক্যামরাতে ধারণ করে। এসময় আমার বাবা বাঁচাও বাঁচাও বলে শোর-চিৎকার করতে থাকে। পরে ঘটনাটি শোনার পর আমার ছোট ভাই সিএনজি চালক সালাহউদ্দিন স্থানীয় লোকজনসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার বাবাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে চিকিৎসা করান।।
আশরাফ হোসাইন এজাহারে আরো দাবি করেন, ঘটনার সময় আমার বাবার ব্যবহৃত একটি মোবাইল সেট ও পকেটে থাকা নগদ সাড়ে সাত হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয়। আশরাফ হোসাইন আরো বলেন, তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে আমার বাবার উপর অমানবিক এই ঘটনাটি গঠিয়েছে ঘটনার অন্যতম সন্ত্রাসী আনছুর আলম। সে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। এমন কোন অপকর্ম নেই যা সে করেনা। আমরা এ ঘটনার সুষ্ট তদন্তপূর্বক প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করছি।
বিষয়টি নিয়ে চকরিয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে এঘটনায় ভুক্তভোগির ছেলে আশরাফ হোসাইন একটি এজাহার দিয়েছে বলে শুনেছি। তবে এজাহারটি এখনো আমার হাতে আসেনি। এজাহারটি হাতে আসলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে.

0 Comments